রিক্রা আলা মামার সাক্ষাৎকার থেকে;
আসসালামু আলাইকুম।
আমার নাম আবদুল কাদের। এখন আমার বয়স সত্তরেরও বেশি। জীবনের এই দীর্ঘ সময়ে অনেক কিছু দেখেছি, অনেক মানুষ চিনেছি, অনেক সুখ-দুঃখের সাক্ষী হয়েছি। কিন্তু আজও একটি রাতের কথা মনে পড়লেই বুকের ভেতরটা কেমন যেন হিম হয়ে যায়। শরীর কেঁপে ওঠে, গায়ে কাঁটা দেয়।
ঘটনাটি আজ থেকে অনেক বছর আগের। ২০০৯ সালের কথা।
তখন আমার বয়স প্রায় বিশ বছর। যুবক বয়স, শরীরে প্রচণ্ড শক্তি আর মনে একরাশ সাহস। ভূত-প্রেত, জিন কিংবা অলৌকিক কোনো বিষয় নিয়ে তেমন একটা ভাবতাম না। গ্রামের বড়দের মুখে অনেক গল্প শুনেছি ঠিকই, কিন্তু সেগুলোকে লোকের বানানো গল্প বলেই মনে করতাম।
সেদিন পাশের গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। তিনি সম্পর্কে আমার দাদার ভাই ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই আমাদের দুই পরিবারের মধ্যে খুবই আন্তরিক সম্পর্ক ছিল। তাই সেখানে গেলে কখন যে সময় কেটে যেত, বুঝতেই পারতাম না।
সেদিনও ঠিক তাই হলো।
বিকেলের পর থেকেই সবাই মিলে উঠানে বসে গল্প করছিলাম। পুরোনো দিনের স্মৃতি, গ্রামের নানা ঘটনা, হাসি-ঠাট্টা—সব মিলিয়ে সময় যেন উড়ে যাচ্ছিল। কেউই খেয়াল করিনি যে রাত অনেক হয়ে গেছে।
মাগরিবের নামাজ আদায় করার পর আমি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।
তখনকার সময়টা কিন্তু এখনকার মতো ছিল না। গ্রামের পথে অটো, ইজিবাইক বা ভ্যান সবসময় পাওয়া যেত না। বেশিরভাগ মানুষকেই দীর্ঘ পথ হেঁটে বাড়ি ফিরতে হতো।
আমার কয়েকজন চাচাতো ভাই বলল,
— "চল, তোকে একটু এগিয়ে দিয়ে আসি।"
কিন্তু তখন আমি তরুণ। মনে অদ্ভুত এক আত্মবিশ্বাস। হেসে বললাম,
— "না, দরকার নেই। আমি একাই চলে যেতে পারব।"
আজ এত বছর পর মনে হয়, যদি সেদিন তাদের কথা শুনতাম, তাহলে হয়তো এই ঘটনার মুখোমুখি আমাকে কখনোই হতে হতো না।
আমি একাই হাঁটতে শুরু করলাম।
সেই সময় আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। রাত নামলেই চারদিক অন্ধকারে ডুবে যেত। কোথাও কোথাও দূরে কোনো বাড়ির উঠানে একটি হ্যারিকেনের ক্ষীণ আলো টিমটিম করে জ্বলত। কাঁচা রাস্তার দুই পাশে বিশাল ধানক্ষেত। মাঝেমধ্যে বাঁশঝাড়ের ফাঁক দিয়ে বাতাস এসে সাঁই সাঁই শব্দ করছিল।
ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আর দূরে কোথাও শেয়ালের ডাকে পুরো পরিবেশটা আরও নিস্তব্ধ ও অস্বস্তিকর হয়ে উঠছিল।
হাঁটতে হাঁটতে কখন যে রাত এগারোটা পেরিয়ে বারোটার কাছাকাছি চলে এসেছে, বুঝতেই পারিনি।
চারপাশের অন্ধকার এতটাই ঘন হয়ে উঠেছিল যে নিজের হাতটাও ঠিকমতো দেখা যাচ্ছিল না। পথ চিনতে কষ্ট হচ্ছিল। বুকের ভেতর প্রথমবারের মতো অজানা এক ভয় কাজ করতে শুরু করল।
মনে হলো, এই অবস্থায় আর বাড়ি পৌঁছানো সম্ভব হবে না।
ঠিক তখনই রাস্তার একপাশে একটি ছোট, পুরোনো মসজিদ চোখে পড়ল।
মসজিদটি অনেক নির্জন জায়গায় ছিল। আশপাশে কোনো বাড়িঘর চোখে পড়ছিল না। কোথাও মানুষের কোনো শব্দও নেই। তবুও ভাবলাম, আল্লাহর ঘর। এখানে রাতটা কাটিয়ে ভোরে বাড়ি ফিরব।
পাশের একটি পুকুরে গিয়ে ওজু করলাম।
পানি ছিল বরফের মতো ঠান্ডা। ওজু শেষে মসজিদের ভেতরে ঢুকে এক কোণে নিজের গামছা বিছিয়ে শুয়ে পড়লাম।
ঘুম আসছিল, আবার আসছিল না।
বাইরে হালকা বাতাস বইছিল। সেই বাতাসে টিনের চাল থেকে মাঝে মাঝে টুপটাপ শব্দ হচ্ছিল। দূরে কোথাও রাতের পাখির ডাক শোনা যাচ্ছিল। পুরো মসজিদজুড়ে এমন এক নীরবতা বিরাজ করছিল, যেন পৃথিবীতে আমি ছাড়া আর কেউ নেই।
কতক্ষণ ঘুমিয়েছিলাম, জানি না।
পার্ট :2
চোখ খুলতেই দেখি, মসজিদের ভেতরে একটু দূরে অদ্ভুত এক সাদা আলো।
প্রথমে ভাবলাম, হয়তো চাঁদের আলো জানালা দিয়ে ভেতরে পড়েছে।
কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বুঝলাম, এটা সাধারণ কোনো আলো নয়।
আলোটা স্থির ছিল না।
ধীরে ধীরে সেটি যেন একটি মানুষের আকৃতি ধারণ করতে শুরু করল।
আমি স্থির হয়ে তাকিয়ে রইলাম।
ভয়ে শরীর অবশ হয়ে গিয়েছিল। চোখ সরাতে চাইছিলাম, কিন্তু পারছিলাম না।
যতই ভালো করে দেখছি, ততই মনে হচ্ছিল একজন নারী দাঁড়িয়ে আছেন।
তার পুরো শরীর থেকে নূরের মতো উজ্জ্বল সাদা আলো বের হচ্ছিল। সেই আলোয় পুরো মসজিদের ভেতর আলোকিত হয়ে উঠেছিল। অথচ কোথাও কোনো প্রদীপ, লণ্ঠন কিংবা অন্য কোনো আলোর উৎস ছিল না।
তার মুখমণ্ডল ছিল অবিশ্বাস্য রকম সুন্দর।
এত সুন্দর মুখ আমি জীবনে কখনো দেখিনি।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, সেই সৌন্দর্যের মধ্যেও এমন এক ভয় ছিল, যা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।
মনে হচ্ছিল, তিনি শুধু দাঁড়িয়ে নেই—আমার দিকেই তাকিয়ে আছেন।
আমার বুকের ধড়ফড়ানি এত বেড়ে গিয়েছিল যে মনে হচ্ছিল, এখনই বুকে চাপ ধরে মারা যাব।
ছোটবেলায় বড়দের মুখে জিন-পরীর গল্প শুনেছিলাম। সেসব গল্প একে একে মাথার মধ্যে ঘুরতে লাগল।
আমি আর এক মুহূর্তও তাকিয়ে থাকার সাহস পেলাম না।
তাড়াতাড়ি নিজের জামা খুলে মুখের ওপর ঢেকে দিলাম।
চোখ শক্ত করে বন্ধ করে শুধু আল্লাহর নাম জপতে লাগলাম।
আয়াতুল কুরসি, কালিমা আর যতটুকু দোয়া মুখস্থ ছিল, সব পড়তে লাগলাম।
তারপর কী হয়েছিল, আমি স্পষ্ট মনে করতে পারি না।
সময় যেন থেমে গিয়েছিল।
মনে হচ্ছিল, কয়েক মিনিট যাচ্ছে। অথচ হয়তো তিন-চার ঘণ্টা কেটে গেছে।
হয়তো ভয়ের চোটে আমি অজ্ঞানও হয়ে পড়েছিলাম।
হঠাৎ পাখির কিচিরমিচির শব্দে আমার ঘুম ভাঙল।
চোখ খুলে দেখি, চারপাশ আবার আগের মতোই স্বাভাবিক।
কোথাও কোনো আলো নেই।
সেই অবয়বও নেই।
মসজিদের ভেতর আগের মতোই নিস্তব্ধ।
তখনও পুরোপুরি ভোর হয়নি। আকাশে হালকা আলো ফুটতে শুরু করেছে।
আমি আর এক মুহূর্তও সেখানে দাঁড়াইনি।
দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে দৌড়াতে শুরু করলাম।
পেছনে একবারও তাকাইনি।
বাড়ি পৌঁছানোর পর থেকেই আমার শরীর প্রচণ্ড কাঁপতে শুরু করল।
কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্বর এলো।
শরীর যেন আগুনের মতো পুড়ছিল।
পরিবারের সবাই ভয় পেয়ে গেল।
বাবা বারবার জিজ্ঞেস করলেন,
— "কী হয়েছে?"
আমি কাঁপা গলায় পুরো রাতের ঘটনাটা খুলে বললাম।
পরপর কয়েক দিন কেটে গেল।
ডাক্তারি ওষুধ খেলাম।
কিন্তু কোনোভাবেই জ্বর কমছিল না।
শেষ পর্যন্ত বাবা তাঁর পরিচিত এক কবিরাজের কাছে আমাকে নিয়ে গেলেন।
আমাকে নিয়ে যাওয়ার দিনটার কথা আজও স্পষ্ট মনে আছে। তখন আমার শরীর এতটাই দুর্বল ছিল যে ঠিকমতো হাঁটতেও পারছিলাম না। কয়েক দিন ধরে টানা জ্বর, চোখদুটো লাল হয়ে গিয়েছিল, মুখ শুকিয়ে কাঠ। রাতে ঘুম আসত না। ঘুমিয়ে পড়লেও বারবার চমকে উঠে বসে পড়তাম। মনে হতো, কেউ যেন খুব কাছে দাঁড়িয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। মাঝে মাঝে ঘরের এক কোণ থেকে অদ্ভুত ঠান্ডা অনুভব করতাম। কিন্তু তাকালে কিছুই দেখা যেত না।
বাবা তখন আর কোনো উপায় না দেখে তাঁর বহুদিনের পরিচিত এক কবিরাজের কাছে আমাকে নিয়ে গেলেন।
সেখানে গিয়ে যে ঘটনাটা ঘটেছিল, সেটাই আমাকে আরও বেশি অবাক করেছিল।
কবিরাজের বাড়িটি ছিল গ্রামের একেবারে নির্জন প্রান্তে। চারদিকে বড় বড় গাছ। উঠানে কয়েকজন মানুষ চুপচাপ বসে ছিল। কেউ আস্তে আস্তে কোরআন তেলাওয়াত করছিল, আবার কেউ নিজেদের সমস্যার কথা বলছিল। পুরো পরিবেশে এক ধরনের চাপা নীরবতা বিরাজ করছিল।
আমি ঘরে ঢুকতেই কবিরাজ আমার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে আমার বুকের ভেতরটা কেমন যেন কেঁপে উঠল।
আমি কিছু বলার আগেই তিনি আমার দিকে তাকিয়ে রাতের ঘটনার অনেক কিছু একে একে বলতে শুরু করলেন।
তিনি বললেন,
— "তুমি কি কয়েক রাত আগে একটি নির্জন মসজিদে রাত কাটিয়েছিলে?"
আমি হতভম্ব হয়ে বাবার দিকে তাকালাম।
বাবাও তখন পর্যন্ত একটি কথাও বলেননি।
আমি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম।
তিনি শান্ত গলায় আরও বললেন,
— "ভয় পেও না। যা ঘটেছে, সব খুলে বলার দরকার নেই। তোমার চেহারা দেখেই বুঝতে পারছি, তুমি ভয়ংকর এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এসেছ।"
তার কথা শুনে আমার শরীরের লোম দাঁড়িয়ে গেল।
তিনি আমাকে মাটিতে আঁকা একটি গোল বৃত্তের মধ্যে বসালেন।
বৃত্তটির চারপাশে কিছু আরবি লেখা ছিল। পাশে একটি কলসিতে পানি রাখা ছিল। তিনি ধীরে ধীরে কোরআনের কিছু আয়াত ও দোয়া পড়তে লাগলেন। তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল শান্ত, কিন্তু ঘরের পরিবেশটা যেন আরও ভারী হয়ে উঠছিল।
তারপর কিছু দোয়া পড়ে পানিতে ফুঁ দিলেন।
সেই পানি আমাকে পান করতে দিলেন।
আমি ধীরে ধীরে পানিটা খেলাম।
এরপর কী হয়েছিল, আমার স্পষ্ট মনে নেই।
শুধু মনে আছে, মাথাটা হঠাৎ খুব ভারী হয়ে গেল। চোখ ঝাপসা হয়ে আসছিল। মনে হচ্ছিল, আমি যেন নিজের শরীরের ওপর আর পুরো নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছি না। চারপাশের মানুষের কথাও কানে আসছিল, আবার আসছিল না।
পরে বাবার মুখে শুনেছি, হঠাৎ নাকি আমার গলার স্বর বদলে গিয়েছিল।
তিনি বলতেন, আমার কণ্ঠস্বর আর আগের মতো ছিল না। যেন অন্যরকম শোনাচ্ছিল। ঘরে উপস্থিত সবাই নাকি একে অপরের মুখের দিকে তাকিয়ে গিয়েছিল।
কবিরাজের ভাষ্যমতে, একজন নারী জিন আমাকে পছন্দ করেছে এবং আমাকে ছেড়ে যেতে চাইছিল না।
তিনি নাকি বারবার তাকে চলে যেতে বলেন।
শান্তভাবে দোয়া পড়ে তাকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছিলেন।
কিন্তু সে কোনোভাবেই রাজি হচ্ছিল না।
ঘরের পরিবেশ ক্রমেই ভারী হয়ে উঠছিল। বাবা পরে বলেছিলেন, তখন তাঁর নিজেরও বুক ধড়ফড় করছিল। তিনি শুধু আল্লাহর নাম জপছিলেন।
শেষ পর্যন্ত কবিরাজ যখন তাকে বোতলে বন্দি করার কথা বলেন, তখন সে নাকি শর্ত দেয়—
দশ হাঁড়ি রসগোল্লা এবং একটি জ্যান্ত ছাগল।
বাবা পরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেই ব্যবস্থা করেন।
আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘনা নদীর তীরে একটি নির্জন স্থানে গভীর রাতে দশ হাঁড়ি রসগোল্লা এবং একটি জীবন্ত ছাগল রেখে আসেন।
বাবা বলতেন, সেদিন রাতটাও ছিল ভীষণ নিস্তব্ধ। নদীর পানি ধীরে ধীরে বইছিল। চারপাশে মানুষের কোনো শব্দ ছিল না। শুধু দূরে কোথাও ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক ভেসে আসছিল।
তিনি সাহস করে জিনিসগুলো রেখে ধীরে ধীরে সামনে হাঁটতে শুরু করেন।
বাবা বলতেন, তিনি মাত্র কয়েক কদম সামনে এগিয়েছেন।
ঠিক তখনই হঠাৎ ছাগলের ডাক বন্ধ হয়ে যায়।
চারপাশে এমন নীরবতা নেমে আসে, যেন পৃথিবীর সব শব্দ এক মুহূর্তে থেমে গেছে।
ভয় পেয়ে তিনি পেছনে তাকান।
দেখেন—
সেখানে আর কিছুই নেই।
না ছাগল।
না রসগোল্লার হাঁড়িগুলো।
চারপাশে কোনো মানুষের উপস্থিতিও ছিল না।
মাটিতে টেনে নিয়ে যাওয়ার কোনো দাগও তিনি দেখতে পাননি।
তিনি আর এক মুহূর্তও সেখানে দাঁড়াননি।
দৌড়ে বাড়ি ফিরে আসেন।
এর কয়েক দিন পর ধীরে ধীরে আমার জ্বর কমতে শুরু করে।
আমি আবার আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসি।
কিন্তু আজও একটি প্রশ্নের উত্তর আমি খুঁজে পাইনি।
যে মসজিদে আমি রাত কাটিয়েছিলাম, সেখানে ভোর হওয়ার আগ পর্যন্ত আশপাশে কোনো বাড়িঘর কিংবা মানুষের অস্তিত্ব দেখিনি।
এমনকি ফজরের সময়ও কোনো ইমাম বা মুসল্লিকে সেখানে আসতে দেখিনি।
আজও বুঝতে পারিনি—
সেদিন রাতে আমি আসলে কী দেখেছিলাম।
হয়তো অনেকেই আমার এই ঘটনা বিশ্বাস করবেন না।
কেউ বলবেন, এটা জ্বরের ঘোর ছিল।
কেউ বলবেন, ক্লান্ত শরীরের বিভ্রম।
আমি কাউকে বিশ্বাস করানোর চেষ্টা করছি না।
আমি শুধু আমার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি যেমন দেখেছি, তেমনভাবেই আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।
আল্লাহই ভালো জানেন, সেই রাতে মসজিদের ভেতরে আমি আসলে কী দেখেছিলাম।
---
সমাপ্তি —
ভালো থাকবেন। ইনশাআল্লাহ আবারও ফিরে আসব নতুন একটি সাক্ষাৎকারভিত্তিক ঘটনা নিয়ে।
গল্পটি যদি ভালো লেগে থাকে, তাহলে একটি সুন্দর মন্তব্য করবেন। আপনার মতামতই আমাদের আরও নতুন নতুন সাক্ষাৎকারভিত্তিক ঘটনা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে অনুপ্রাণিত করবে।
আল্লাহ হাফেজ।
